সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২৬
26.5 C
Dhaka

আরও পড়ুন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান ঢাবি উপাচার্যের

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

উপাচার্য ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সেদিন দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ব্যক্তিস্বার্থ পরিহার করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দেয়। দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দিবসটির ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরে বলেন, এর মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন হয় এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতির সূচনা হয়।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন করে আধিপত্যবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী সংগঠনের নেতারাও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপাচার্যের বাসভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ ছাড়া আলোচনা সভা, কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন হল, হোস্টেল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

নভেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here