বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের নতুন পরীক্ষায় কোন বিষয়ে কত নম্বর থাকবে, তা নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এনটিআরসিএর প্রস্তাবিত সিলেবাস অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান—এই চারটি বিষয় থেকে প্রশ্ন থাকতে পারে। প্রতিটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম ধাপে বহুনির্বাচনি বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় রাখা হতে পারে এক ঘণ্টা। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে। তবে ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কেটে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হতে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হতে পারে।
প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
এভাবে প্রস্তাবিত তিন ধাপের পরীক্ষায় মোট নম্বর দাঁড়াবে ২২০। তবে নম্বর বণ্টন, পরীক্ষার সময়, পাস নম্বর এবং সিলেবাসের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।
নতুন পদ্ধতি কার্যকর করতে বিধিমালা সংশোধন প্রয়োজন। সংশোধিত বিধিমালা অনুমোদনের পর পরীক্ষার কাঠামো ও সিলেবাস চূড়ান্ত করা হবে। তাই চাকরিপ্রার্থীদের এখনই প্রস্তাবিত নম্বর বণ্টনকে চূড়ান্ত ধরে প্রস্তুতি নেওয়ার আগে এনটিআরসিএর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করা উচিত।
এদিকে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। চলমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নতুন নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।




