ছবি : সংগ্রহীত
বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় এসি পুরোপুরি বন্ধ না করে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় চালিয়ে রাখলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। অবাক হচ্ছেন? এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি কেবল তখনই সম্ভব, যখন আপনি মাত্র এক থেকে ৪ ঘণ্টার জন্য বাইরে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় বা পুরো দিনের জন্য বাইরে গেলে এসি চালিয়ে রাখা মোটেও সাশ্রয়ী নয়; বরং এতে বিল অনেক বেশি আসবে।
কয়েকটি সহজ পদক্ষেপ এসির কার্যকারিতা বাড়াতে পারে। যেমন— এসি চলার সময় দরজা ও জানালা ঠিকমতো বন্ধ রাখুন। হাওয়া চলাচল উন্নত করতে নিয়মিত এসির ফিল্টার পরিষ্কার করুন। ঘরে সরাসরি সূর্যের আলো প্রবেশ কমাতে পর্দা বা ব্লাইন্ড ব্যবহার করুন।
অত্যন্ত কম তাপমাত্রা সেট করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এতে বিদ্যুৎ খরচ বেশি বাড়ে। বাড়িতে কেউ না থাকলে ঠান্ডা নিয়ন্ত্রণ করতে টাইমার বা স্মার্ট কন্ট্রোল ব্যবহার করুন।
আপনি ভাবছেন এসব কোনো বিদ্যুৎ বিল কমানোর ক্যাটাগরিতে পড়ে না। বাড়ির বাইরে থাকাবস্থায় এসি চালানোকে বিদ্যুতের অপচয় ছাড়া কিছুই হতে পারে না; শুধু বিদ্যুতের বিল বাড়বে বৈকি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্নকথা।
তারা বলছেন, এ অভ্যাসটি কখনো কখনো শক্তির অপচয় এবং খরচ বাঁচাতে পারে। তাই এসি পুরোপুরি বন্ধ করে যন্ত্রটিকে আরও বেশি পরিশ্রম করানোর পরিবর্তে, এটিকে উচ্চ তাপমাত্রায় চালু রাখাই ভালো। এতে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে; বিশেষ করে গরমের সময়।
এ ধারণাটি প্রচলিত আছে, প্রয়োজন না হলে বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়াই সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়। বারবার ঘর ঠান্ডা করার পরিবর্তে বেশ খানিকক্ষণ এসি চালিয়ে রাখলে যন্ত্রটির ওপর চাপ কমতে পারে এবং এর কার্যকারিতাও বাড়ে।
বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাবে বলে সাশ্রয়ের আশায় অনেকেই বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে এসি বন্ধ করে দেন। কিন্তু ঘর যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন এসি আবার চালু করলে যন্ত্রটিতে প্রচুর পরিমাণে তাপ বের করতে হয়। প্রচণ্ড গরমে ঘরের ভেতরের দেওয়াল, আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র তাপ শোষণ করতে পারে। এসি আবার চালু হলে, তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এটিকে আরও বেশি সময় ধরে চালাতে হয়।




