শিক্ষানবিশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদের মোটরযান চালানোর ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বৈধ প্রশিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় ছাড়া শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীরা সড়কে কোনো মোটরযান চালাতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের সময় গাড়ির দৃশ্যমান স্থানে বড় আকারের লাল ‘L’ চিহ্ন রাখতে হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে বিআরটিএর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
বিআরটিএর বার্তায় বলা হয়েছে, মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া সড়কে মোটরযান চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীরা কেবল বৈধ প্রশিক্ষকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় মোটরযান চালাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে গাড়ির দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্ন রাখা বাধ্যতামূলক।
সাধারণত পূর্ণাঙ্গ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে গাড়ি চালানো শেখার জন্য শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। এ লাইসেন্সের মাধ্যমে নির্ধারিত নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পান নতুন চালকেরা। তবে লার্নার লাইসেন্স থাকলেই ইচ্ছামতো বা একা সড়কে গাড়ি চালানোর অনুমতি পাওয়া যায় না।
প্রশিক্ষণের সময় গাড়ির সামনে ও পেছনে অথবা অন্য কোনো দৃশ্যমান স্থানে লাল রঙের বড় ‘L’ চিহ্নযুক্ত বোর্ড বা সংকেত রাখতে হয়। ইংরেজি ‘Learner’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ‘L’। এই চিহ্নের মাধ্যমে অন্য চালকেরা বুঝতে পারেন, সংশ্লিষ্ট মোটরযানটি একজন শিক্ষানবিশ চালাচ্ছেন।
এতে আশপাশের যানবাহনের চালকেরা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে পারেন। বিশেষ করে নতুন চালকেরা প্রশিক্ষণের সময় সড়কে গাড়ি চালানোর বিভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত হন। এ সময় অন্য চালকদের সতর্ক থাকা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
বিআরটিএর এ নির্দেশনার মূল লক্ষ্য শিক্ষানবিশ চালকদের প্রশিক্ষণের সময় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ড্রাইভিংয়ের নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো। তাই লার্নার লাইসেন্সধারীদের প্রশিক্ষণের সময় বৈধ প্রশিক্ষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি গাড়িতে নির্ধারিত ‘L’ চিহ্ন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




