এটা ছিল আমার লেখা শেষ কবিতা। আমার কলিগকে ৪/৮/২৪ তারিখ পড়তে দিয়েছিলাম। সে বলল আল্লাহ যেন আপনার আশা পুরণ করেন।
১২৮. খোকার চিঠি
০৪.০৮.২৪
ওরা আমার কলম কেড়ে নিয়ে
আমার আঙ্গুল কেটে দিয়েছে।
আমি সেই আঙ্গুলের প্রবাহিত রক্তে তোমায় লিখছি।
বিশ্বাস করো মা,
আমি বেশী কিছু চাইনি-
শুধু আমার নৈতিক কোঁটা সংস্কার চেয়েছি,
ওরা তোমায়-আমায় রাজাকারের কলংক দিয়েছে।
ওরা তাদের গুন্ডা ও পুলিশ বাহিনী দিয়ে
আমার ভাই-বোনদের হত্যা করে আমাদের
ভয় পাইয়ে দিতে চেয়েছিল।
মা তুমিতো জানো! আমি তোমার সন্তান!
অন্যায়ের কাছে কখনো আমায় নত হতে শেখাওনি,
কি করে আমি আমার ভাই-বোনদের লাশের হিসেব না নিয়ে
ঘরে ফিরব? তবে তোমায় কথা দিচ্ছি,
আমার ভাই-বোনের হত্যার বদলা না নিয়ে এবং
দেশটার সংস্কার না করে তোমায় মুখ দেখাবনা।
হ্যাঁ মা! দেখ! আমার ভাইয়ের রক্তে গোধুঁলি আজ রঙ্গিন।
রাত পোহালে ভোর হবে মা, রাঙ্গা সকাল হবে শেষে-
তোমার খোকা সেই সকালে ফিরবে বীরের বেশে।
আর ক’টা দিন সবুর করো আমার লক্ষীমা,
তোমায় আমি দেব উপহার নিরাপদ বাংলা।
আমার বোন হাঁটবে যেথায় দিবস কিংবা রাতে,
সেই দেশটাই আনব কিনে কোন এক প্রভাতে।
আমার প্রতি রেখো মাগো তোমার আশির্বাদ
শান্তির বাংলা দেব ফিরিয়ে ঘুচবো অপবাদ।